চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির কাছে হারের পর লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষেও হেরেছিল বার্সেলোনা। তবে আলাভেসকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর পর এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও জয়ের ধারায় ফিরেছে কাতালানরা।
মঙ্গলবার রাতে ন্যু ক্যাম্পে অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে তারা। জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া, অন্যটি লামিনে ইয়ামালের। এই জয়ে চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বার্সেলোনা। সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। নিজেদের গোলকিক থেকে বল বাড়াতে গিয়ে বড় ভুল করেন অ্যাস্টন ভিলার জোয়াও গোমেস। তার পাস সরাসরি পেয়ে যান ইয়ামাল।
১২ গজ দূর থেকে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় কাতালানরা।
গোল হজমের পর দ্রুত সমতায় ফেরার চেষ্টা করে ভিলা। ম্যাটি ক্যাশের শট দিক পরিবর্তন করে মাঠের বাইরে চলে যায়। এরপর জোয়াও গোমেসের নেয়া শট শেষ মুহূর্তে আটকে দেন জোয়াও কানসেলো।
১৯তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের পাস থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন জোহান মানজাম্বি। তবে তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে জ্যাকসনের প্রচেষ্টাও রুখে দেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ায় বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে ফারমিন লোপেজের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন রাফিনিয়া। বলটি পাউ তোরেসের গোড়ালিতে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
এর ১২ মিনিট পর আবারো গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। জন ম্যাকগিনকে কাটিয়ে রাফিনিয়ার উদ্দেশে বল বাড়ান কানসেলো। কাছ থেকে বল জালে পাঠাতে কোনো ভুল করেননি রাফিনিয়া। চলতি মৌসুমে ১৩ ম্যাচে এটি তার ১৯তম গোল।
পরে লিওন গোরেৎজকার হেড পোস্টে লাগলে ব্যবধান কমানোর সুযোগ হারায় ভিলা। অন্যদিকে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামালও, তবে তার দুটি শটই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এই হারে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বে অ্যাস্টন ভিলার শতভাগ জয়ের ধারার অবসান হলো। অন্যদিকে বার্সেলোনায় উনাই এমেরির হতাশার পরিসংখ্যান আরো দীর্ঘ হলো। ন্যু ক্যাম্পে ১৬ ম্যাচের মধ্যে ১৫টিতেই হারের স্বাদ পেলেন ভিলা কোচ।
এর মাঝে ২০১৭ সালে পিএসজির কোচ হিসেবে বিখ্যাত রেমোন্তাদার সাক্ষী হয়েছিলেন তিনি। প্রথম লেগে ৪-০ গোলে জয়ের পর ফিরতি লেগে বার্সেলোনার কাছে ৬-১ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছিল তার দল।












