যবিপ্রবি প্রতিনিধি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য ‘যবিপ্রবি ফিল্ম সোসাইটি’র পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সামিউল আজিম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শ্রেয়া ভৌমিক মনোনীত হয়েছেন।

গত ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক অভিনু কিবরিয়া ও প্রভাষক শরিফুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন ফাহিম খান রাতুল, সাজ্জাদুল আলম ভূঁইয়া, তামিম সিকদার ও কিবরিয়া আহমেদ দুর্জয়। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন উম্মে সুমাইয়া ও শারমিন আক্তার স্নিগ্ধা।

কোষাধ্যক্ষ পদে নাহিদ হাসান এবং সহ-কোষাধ্যক্ষ পদে লাভনী ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রিয়াদ রায়হান এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন সিনান রহমান রাইয়া।

এ ছাড়া ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ভূমি পোদ্দার দিয়া, আর্টস অ্যান্ড ডিরেকশন বিভাগের পরিচালক হিসেবে সুস্মিতা সরকার এবং সিনেমাটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান হিসেবে তাহসিনুর রহমান মনোনীত হয়েছেন।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন আবির মাহমুদ। এ বিভাগের সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাসনিম ও মোছা. জান্নাতুল মাওয়া। গবেষণা ও চলচ্চিত্র শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আইয়াজ মিয়া এবং সহ-সম্পাদক হয়েছেন সুমাইয়া ইলা। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ, প্রীতম পার্থ রায়, অনিক পাল ও শুভঙ্কর কুন্ডু।

সংগঠনটির লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে নবগঠিত কমিটির সভাপতি সামিউল আজিম বলেন, “চলচ্চিত্র হলো এমন এক শক্তিশালী মাধ্যম, যেখানে শিল্পকলা ও ভাবনার নানামুখী শাখার চমৎকার মেলবন্ধন ঘটে। এটি কেবল নিছক বিনোদন নয়; বরং সংস্কৃতিচর্চা এবং সমাজকে গভীরভাবে অনুধাবন করার অন্যতম একটি মাধ্যম। মূলত আমাদের ভেতরের অনুভূতি, গল্প ও কল্পনাগুলোকে ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্যের ভাষায় ফুটিয়ে তুলতেই আমাদের এই প্রয়াস।”

ক্যাম্পাসে চলচ্চিত্র সংস্কৃতির বিকাশের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের যবিপ্রবি ক্যাম্পাসে চলচ্চিত্রচর্চার একটি সুসংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল। সেই শূন্যতা কাটানোই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সব চলচ্চিত্রপ্রেমীকে এক সুতোয় গেঁথে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি তৈরি করতে। নিয়মিত সিনেমা প্রদর্শন, চলচ্চিত্র নির্মাণ, গঠনমূলক আলোচনা ও ওয়ার্কশপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে এক নতুন নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।”