তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের আবার ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে রোকনপুর সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুশ-ইনের শিকার হওয়া ১৫ জনের মধ্যে দুজন পুরুষ, আটজন নারী এবং পাঁচজন শিশু ছিল।
১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ২২০/এমপির নিকটবর্তী এলাকায় ভারতের কোটালপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা একটি নৌকাযোগে ওই ১৫ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেন এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেন। বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে আনা ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের অংশেই অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
পরবর্তী সময়ে বিজিবির জোরালো প্রতিবাদ ও সতর্ক অবস্থানের মুখে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১৫ জনকে সীমান্তসংলগ্ন ভবানীপুর এলাকা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।












