গতকাল দুপুরে উপজেলার দেবীনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর চাকলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো চর চাকলা এলাকার মাসুদ আলীর দুই মেয়ে সুমাইয়া (১০) ও আরিফা (৮), নেজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে সুরাইয়া (৯) ও সুমাইয়া (১১) এবং শরিফুল ইসলামের মেয়ে শরিফা (১১)।
শিশুদের আত্মীয় তৌহিদ আলম জানান, জুমার নামাজ পড়তে গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ মসজিদে ছিল। এ সময় শিশুরা কাউকে না জানিয়ে কখন নদীতে গোসল করতে নেমেছিল, তা কেউ বুঝতে পারেনি। এরপর তারা পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন নদীতে নেমে শিশুদের উদ্ধার করেন।
নদীটি পদ্মার শাখা নদী হলেও স্থানীয়ভাবে ‘মরা নদী’ নামে পরিচিত। বর্ষা ও বৃষ্টির সময় নদীটিতে পদ্মার পানি ঢুকে। বছরের অন্য সময় এখানে তেমন পানি থাকে না। তখন নদীর তলদেশে ও আশপাশের জমিতে ফসল চাষ করা হয়। সম্প্রতি বৃষ্টি ও পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে মরা নদীতে পানি এসেছে।
পাঁচ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চর চাকলা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। দেবীনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আ গ ম সাহেদুল আলম বিশ্বাস পলাশ বলেন, ‘পদ্মার শাখা নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নৌ-পুলিশ এসে নিহতদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা দেয়ার কথা বলেছে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, গতকাল দুপুর ১টার দিকে মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নামে কয়েকটি শিশু। একপর্যায়ে পাঁচ শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাদের মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।











