জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৩৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে ব্যবসায়ী মো: সালাহউদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বুধবার দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের অনুসন্ধানে সালাহউদ্দিন রিপনের নামে দায়-দেনা বাদে মোট ৩৯ কোটি ৮৩ লাখ ৯৮ হাজার ৩৩৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, ২০০৭-২০০৮ থেকে ২০২০-২০২১ করবর্ষ পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্য বৈধ আয় ছিল আট কোটি ৫৪ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫ টাকা। এ সময়ে তার মোট ব্যয় ছিল চার কোটি ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৫৯৬ টাকা। ফলে তার বৈধ সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় চার কোটি ৩০ লাখ ৮৯ হাজার ৫৩৯ টাকা।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, বৈধ সঞ্চয়ের বাইরে তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৩৫ কোটি ৫৩ লাখ আট হাজার ৭৯৬ টাকা, যা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।
অনুসন্ধানে আরো দেখা যায়, সালাহউদ্দিন রিপন তার সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর সম্পদ অর্জনের উৎস হিসেবে ব্যবসার আয় উল্লেখ করেছেন। তবে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। ২০০৭-২০০৮ থেকে ২০২০-২০২১ করবর্ষ পর্যন্ত তার ব্যবসা থেকে আয় ছিল পাঁচ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ৬৭৫ টাকাসহ মোট গ্রহণযোগ্য বৈধ আয় আট কোটি ৫৪ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫ টাকা। অথচ ওই সময়ে তিনি ৪১ কোটি ৯২ লাখ ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন।
দুদকের অভিযোগ, অসৎ উপায় ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদকে বৈধ করার উদ্দেশ্যে ব্যবসার আয় থেকে এসব সম্পদ অর্জনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন তিনি।
এ ঘটনায় সালাহউদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ও ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
সূত্র : বাসস












